কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) দ্বীপশিখার সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন আজ সকালে।
দ্বীপশিখার পক্ষ থেকে উপজেলা পরিষদে ফুলের চারা দিয়ে ""K"' প্রতীক সম্বলিত একটি ডিজাইন করা হয়।
কুতবদিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ঘেরাওসহ বৃক্ষরোপন
কুতুবদিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ পর্ব।
কুতুবদিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পর্ব।
আলী আকবর ডেইল উচ্চ বিদ্যালয় পর্ব।
কবি জসীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় পর্ব।
ধূরুং আদর্শ (পাইলট) উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ পর্ব।
সতরউদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় পর্ব।
আল ফারুক আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা পর্ব।
লেমশাখালী উচ্চ বিদ্যালয় পর্ব।
২৫০++ বৃক্ষ রোপণের মধ্য দিয়ে শেষ হল কুতুবদিয়া ৬ ইউনিয়নে ১৭ টি স্কুল ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক প্লেইজ এ আমাদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২০।
আমরা রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধার্থে স্কুল,মাদ্রাসা কে বেছে নিয়েছি। আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে ঘেরাও করেছি।প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠান আমাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করেছে।ধন্যবাদ।
আমরা সাসটেইনেবল কর্মসূচির দিকে নজর দিয়েছি বেশী।তাই রক্ষণাবেক্ষণে খরচ করেছি বেশি বাজেট।আমাদের টার্গেট আগামী বছর কুতুবদিয়ায় আর ২৫০ টা গাছ বেড়ে উঠুক।নির্মল বাতাসে ভরে উঠুল কুতুবদিয়ার আবহাওয়া।সবুজ হওক মাতৃভূমি।
আপনাদের অনেকে জানতে চেয়েছেন-আমরা বেড়িবাঁধ নিয়ে কথা না বলে বৃক্ষরোপণের দিকে নজর দিচ্ছি কেন?
আমাদের মতামতটা হল- "বেড়িবাঁধের দাবি বাস্তবায়ন হতে আরও কমপক্ষে ৪-৫ বছর লাগবে। এই সময়ের মধ্যে আমরা চাইলে বৃক্ষরোপন করে নিজের মাতৃভূমিকে কিছুটা হলেও রক্ষা করতে পারব। আসুন গাছ লাগাই৷ নিজের জন্মভূমির পরিবেশকে কিছুটা হলে বাঁচাই। "
সর্বশেষ,সবার প্রতি একটা অনুরোধ (বিশেষ করে বর্তমানে স্কুল,মাদ্রাসার পড়ুয়া স্টুডেন্টদের) তোমাদের স্কুলে আমাদের রোপন করা গাছগুলার একটু যত্ম নিও।তোমাদের হাতে রেখে গেলাম।
নিজে গাছ লাগাই,অন্যকে উৎসাহিত করি।🌱